শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফ্যাসিবাদ বিরোধী নেতা নুরুল হক নুরের ওপর হামলা মেনে নেয়া যায় না : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ


ফ্যাসিবাদ বিরোধী নেতা নুরুল হক নুরের ওপর হামলা মেনে নেয়া যায় না : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার:


গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সাহসী নেতা নুরুল হক নুরের ওপর প্রশাসনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, “ফ্যাসিবাদ-উত্তর এই সময়ে নুরুল হক নুরের মতো নির্যাতিত ও সাহসী নেতার ওপর হামলা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা সহ্য করা যায় না।”

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চাওয়া ছিলো যেকোনো ধরণের ফ্যাসিবাদী উত্থান প্রতিহত করা। অথচ জাতীয় পার্টি বিগত আমলে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদের পক্ষে ন্যাক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আইনী ভিত্তি তৈরিতে তাদেরই প্রধান ভূমিকা ছিল। ৫ আগস্টের পর জাতীয় পার্টির বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এখন সেই ইস্যুতে নুরুল হক নুরকে রাস্তায় লাঠিপেটা করা স্পষ্টত জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বলেই প্রমাণিত হচ্ছে।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করতে চাই, এটি মাঠে থাকা সেনা ও পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিক ভুল সিদ্ধান্তের ফল। তবে কেন একজন শীর্ষ ফ্যাসিবাদ বিরোধী নেতাকে মারধোর করা হলো, তার জবাবদিহি থাকতে হবে। এ ঘটনার পেছনে কারা উস্কানি দিয়েছে, তা খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”

তিনি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় কারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস করছে তা ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি দেখবে।

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে চট্টগ্রামে প্রতীকী ম্যারাথন।


ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে চট্টগ্রামে প্রতীকী ম্যারাথন

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমী প্রতীকী ম্যারাথন। সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) সকালে নগরীর ঐতিহাসিক প্যারেড কর্ণার থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয় এ ম্যারাথন।

🚩 রুট: প্যারেড কর্ণার → গণি বেকারী মোড় → জামল খান মোড় → চেরাগি পাহাড় → আন্দরকিল্লা → লালদিঘি → কোতোয়ালী → নিউ মার্কেট → শাহ আমানত মার্কেট → শহীদ মিনার।

শত শত তরুণ-যুবক ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি শাহাজাহান হোসেন। তিনি বলেন,

> “তরুণদের সুস্থ দেহ-মন গঠনে খেলাধুলা অপরিহার্য। আমাদের এই প্রতীকী ম্যারাথন তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।”

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের এমপি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম। তিনি তরুণদের প্রশংসা করে বলেন, 

> “সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার শক্তি তরুণদের হাতেই। ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের এই আয়োজন তা প্রমাণ করছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী যুব আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি। তিনি বলেন,

> “শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতাকে ধারণ করেই দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে হবে। এই প্রতীকী ম্যারাথন তারই প্রতীক।”

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। অনেকেই বলেন, পড়াশোনার বাইরে এ ধরনের আয়োজন তাদের মানসিকভাবে সতেজ করে এবং ঐক্যের বন্ধন দৃঢ় করে।

সংগঠনের মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারিয়ার রবিন জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা তরুণদের সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান

তৌহিদ তাবরিজি

ওয়ার্ল্ড ভিউস বাংলা

চট্টগ্রাম 


রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রাম-১১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুদ্দিনের পক্ষে বিশাল মোটরযান শোডাউন।


চট্টগ্রাম-১১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুদ্দিনের পক্ষে বিশাল মোটরযান শোডাউন

৫০০ মোটরবাইক ও ৫০টি পিকআপ নিয়ে শক্তিশালী শোভাযাত্রা।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জননেতা নুরুদ্দিন মনোনীত হওয়ার পর সমর্থক ও নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে এক বিশাল মোটরযান শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় প্রায় ৫০০টি মোটরবাইক ও ৫০টি পিকআপ ভ্যান অংশ নেয়। র‍্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে অংশ নেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ হাজারো সমর্থক।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন—
চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি মো. জান্নাতুল ইসলাম
সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইকবাল
আবুল কালাম মাতাব্বর

এছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও কর্মীরা অংশ নেন।

সমর্থকরা বলেন,
“হাতপাখা প্রতীককে বিজয়ী করতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের শক্তি।”

এ বিশাল মোটরযান শোডাউনকে স্থানীয়রা নির্বাচনী গণজোয়ার হিসেবে দেখছেন। এলাকাবাসীর মতে, এই শোভাযাত্রা প্রমাণ করেছে যে হাতপাখা প্রতীক চট্টগ্রাম-১১ আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে।

রিপোর্টার : তৌহিদ তাবরিজি

ওয়ার্ল্ড ভিউস বাংলা 

চট্টগ্রাম 

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

১৪ আগস্ট ১৯৪৭: উপমহাদেশের মুসলিমদের মুক্তির প্রতীক 🇵🇰🇧🇩


১৪ আগস্ট ১৯৪৭: উপমহাদেশের মুসলিমদের মুক্তির প্রতীক 🇵🇰🇧🇩

স্টাফ রিপোর্টার: সাদ্দাম হোসেন রাজু

ঢাকা, ১৪ আগস্ট ২০২৫ — আজ ১৪ আগস্ট, উপমহাদেশে মুসলমানদের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালের এই দিনে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র — পাকিস্তান — আত্মপ্রকাশ করে। তৎকালীন পূর্ব বাংলা (বর্তমান বাংলাদেশ) প্রথমবারের মতো স্বাধীন মুসলিম ভূখণ্ডের অংশ হয়ে ওঠে।

শুভ স্বাধীনতা দিবস!

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে বসে আছে বাংলার বাঘ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। তিনি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকারের জন্য নিরলস কাজ করেছেন। তাদের অবদান পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় চেতনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

প্রায় ১৫০ বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পর, ৩ জুন ১৯৪৭-এ লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। নতুন সীমান্ত নির্ধারণের দায়িত্ব পান স্যার সাইরিল র‌্যাডক্লিফ, যিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহে ভারতীয় উপমহাদেশের নতুন সীমানা চিহ্নিত করেন।

বিভাজন ও এর প্রভাব

বিভাজনের ফলে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষ ধর্মভিত্তিকভাবে স্থানান্তরিত হন। এছাড়া কয়েক লাখ থেকে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। সহিংসতা, দাঙ্গা, নারী নির্যাতন ও গ্রাম পোড়ানোর ঘটনা বিভাজনের সময় ও পরবর্তী মাসে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

বঙ্গভাগের সিদ্ধান্ত

২০ জুন ১৯৪৭-এ তৎকালীন বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়—পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হবে, পশ্চিম বাংলা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হবে। ৬ জুলাই ১৯৪৭-এ সিলেটে অনুষ্ঠিত গণভোটেও অধিকাংশ মানুষ পাকিস্তানে যোগদানের পক্ষে মত দেন।

১৪ আগস্টের তাৎপর্য

১. মুসলিমদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা: ধর্ম, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তা।

২. সাতচল্লিশের বিভাজন: হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসন থেকে মুক্তি।

৩. ধর্মীয় স্বাধীনতা: মুসলিমদের জন্য শরীয়াহ অনুযায়ী জীবনযাপনের সুযোগ।

৪. ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তি: ব্রিটিশ শাসন ও উচ্চবর্ণের প্রভাব থেকে স্বাধীনতা।

ইতিহাসবিদদের মতে, ১৪ আগস্ট কেবল পাকিস্তানের জন্মদিন নয়, বরং উপমহাদেশের মুসলিমদের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার প্রতীক। বিশেষ করে পূর্ব বাংলার জন্য এটি জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি স্থাপনের প্রথম ধাপ।

বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে কুরআন খতম, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে কুরআন খতম, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চট্টগ্রাম, ০৬ আগষ্ট ২০২৫ (বুধবার)

(সাদ্দাম হোসেন রাজু, ওয়ার্ল্ড ভিউস বাংলা)

গতকাল মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহানগরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত “স্মরণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান” কর্মসূচিতে শহীদদের স্মরণ, কুরআন খতম, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে ৫ আগস্টের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। বক্তারা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহতদের চিকিৎসা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং বিচার সংস্কারের দাবি জানান।

গতকাল বিকেল ২টায় ২নং গেইটের বিপ্লব উদ্যানে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে কুরআন খতম ও দোয়া, জুলাই স্মৃতিচারণ, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, শহীদ পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান (প্রেসিডিয়াম সদস্য, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) বলেন—

“জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন, আল্লাহ তাঁদের জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন। এখনো যারা আহত ও অসুস্থ আছেন, তাঁদের চিকিৎসা সঠিকভাবে হচ্ছে না। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কিনা সেটি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাঁদের খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে।”

সভাপতিত্ব করেন মুহাম্মদ জানাতুল ইসলাম (কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক [চট্টগ্রাম বিভাগ] ও সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর)।
তিনি বলেন—

“শহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।”

যুব নেতা আল মিজান মোহাম্মদ নোহেল (কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক সম্পাদক ও সভাপতি, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর) বলেন—

“৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে, নতুন স্বৈরাচারীদের কারণে সেই স্বাধীনতা আমরা নষ্ট হতে দেব না। আগামী নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে পারে না। পাশাপাশি বিচার সংস্কারের পরে একটি সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—

ডা. শাহাদাত হোসেন, মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
অধ্যাপক নুরুল আমিন, সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
মোহাম্মদ আরিফ জোবায়ের, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সংগঠক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
অধ্যাপক আলাউদ্দিন শিকদার, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা
কারী ফজলুল করিম জিহাদি, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ নেজাম ইসলাম পার্টি
মোহাম্মদ জাওয়াদুল করিম, কেন্দ্রীয় সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রামে ইসলামী যুব আন্দোলনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে নেতাদের হুঁশিয়ারি


চট্টগ্রামে ইসলামী যুব আন্দোলনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে নেতাদের হুঁশিয়ারি

চট্টগ্রাম, ০১ আগষ্ট ২০২৫ (শুক্রবার)

(সাদ্দাম হোসেন রাজু, ওয়ার্ল্ড ভিউস বাংলা)

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে দেওয়ানহাটস্থ আল-ইসহাক অডিটোরিয়ামে সংগঠনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর সভাপতি আল-মিজান মুহাম্মাদ নোহেল এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসউদুর রহমান আল-হাবিবী।

প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।

“নতুন প্রজন্ম বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে ২০২৪-এর স্বৈরাচার মুক্ত নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে কেউ নব্য স্বৈরাচার হওয়ার স্বপ্ন দেখলে ইসলামী যুব আন্দোলন শক্ত হাতে প্রতিরোধ করবে।”

— প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)সহ শীর্ষ নেতারা সরাসরি রাজপথে ছিলেন। আন্দোলনে বহু নেতা-কর্মী শহীদ ও আহত হয়েছেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ জান্নাতুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মুহাম্মাদ তাজুল ইসলাম শাহিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহানগর সেক্রেটারি আল-মুহাম্মাদ ইকবালসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, দফতর সম্পাদকসহ সকল থানার শাখা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার : তৌহিদ তাবরিজি

য়ার্ল্ড ভিউস বাংলা 

চট্টগ্রাম