বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

ভারতের 'অপারেশন সিন্ধুর': পাকিস্তানে মিসাইল হামলা, তিনটি স্থানে আঘাত।

 

ভারতের 'অপারেশন সিন্ধুর': পাকিস্তানে মিসাইল হামলা, তিনটি স্থানে আঘাত

ঢাকা: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার ভোরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী “অপারেশন সিন্ধুর” নামক একটি সামরিক অভিযান চালিয়ে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে মিসাইল হামলা চালিয়েছে। ভারতের দাবি, এইসব স্থানে সন্ত্রাসী অবকাঠামো ছিল, যেখান থেকে ভারতবিরোধী হামলা পরিচালিত হচ্ছিল।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস (ISPR) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানান, হামলার লক্ষ্য ছিল মুজাফফরাবাদ, কোটলি (পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে) ও বাহাওয়ালপুর। এই হামলায় একজন শিশু নিহত এবং অন্তত দুইজন আহত হয়েছে বলে পাকিস্তান দাবি করেছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, "এই অভিযান ছিল সুনির্দিষ্ট, পরিমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধিহীন। কোনো পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।"

এদিকে পাকিস্তান ঘোষণা দিয়েছে, “এই কাপুরুষোচিত হামলার জবাব আমরা উপযুক্ত সময় ও স্থানে দেব।” পাকিস্তানের সব যুদ্ধবিমান এখন আকাশে টহলে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনার ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় আবারও যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।


সাদ্দাম হোসেন 

ওয়ার্ল্ড ভিউস বাংলা 

ঢাকা।

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

আগে সংস্কার পরে নির্বাচন’ দাবিতে ‘মার্চ ফর ঢাকা’ ঘোষণা।

 

ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ, ‘আগে সংস্কার পরে নির্বাচন’ দাবিতে ‘মার্চ ফর ঢাকা’ ঘোষণা

ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শনিবার রাজধানীতে গণমিছিলপূর্ব সমাবেশ করেছে। সমাবেশে দলটির সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, "ভারতে মুসলিমদের নির্মূলের অপচেষ্টা চলছে। ওয়াকফ আইন পরিবর্তন করে মুসলিমদের জমি, মসজিদ, মাদরাসা ও কবরস্থান দখল করা হচ্ছে।" তিনি মোদী সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেন, মুসলমানরা জাগ্রত হলে মোদী সরকারের মসনদ টিকে থাকবে না।

তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ ও ওআইসিকে ভারতের মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "নাস্তিকদের পদায়ন করে সুখে থাকা যাবে না। নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নয়তো জনগণ সমর্থন প্রত্যাহার করবে।"

মুফতি ফয়জুল করীম আরও বলেন, "আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন। সংস্কার ছাড়া কোনো গুন্ডামি মার্কা নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।" তিনি দ্রুতই ‘আগে সংস্কার পরে নির্বাচন’ দাবিতে 'মার্চ ফর ঢাকা' কর্মসূচি ঘোষণা করার ঘোষণা দেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম। বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।